চিন যে যে দেশের সাথেই হাত মেলায়,ধীরে ধীরে তাদের উপর নিজের দখলদারি শুরু করে দেয়।এই কূটনীতির কথা বিভিন্ন দেশ বুঝে নিয়ে আসতে আসতে নিজেদের চিন থেকে দূরে সরিয়ে রাখার চেষ্টা করেছে।যেমন মালদ্বীপ,শ্রীলঙ্কা প্রভৃতি দেশ চিনের থেকে সহযোগীতা নিতে অস্বীকার করেছে এবং ভারতের সাথে বন্দুত্বের সম্পর্ক বানাতে ইচ্ছা প্রকাশ করেছে। চিনের প্রধানমন্ত্রী ভারতের সফরে আসার পর তিনি নেপালের সফরে যান।এই ঘটনার ঠিক 20 দিন পর নেপালে চিনের বিরোধিতা শুরু হয়। নেপালের সাধারণ মানুষ নেমে পড়েছে রাস্তায়।জানা গেছে চিন নেপালের কিছু এলাকায় জমির বলপূর্বক দখলদারি করতে শুরু করেছে,যার ফলে এই বিক্ষোব। নেপাল সরকারও এ কথা স্বীকার করেছেন।তাই চিনের সাথে সকল চূক্তি বাতিল করতে চায় নেপাল।চিনের এই কূটনীতি আর কত দিন চলবে তা আগামীদিনে দেখার বিষয় ।

Leave a Reply

Your email address will not be published.